শিরোনাম
আমাদের বাংলা ডেস্ক : | ০৫:২০ পিএম, ২০২৬-০১-২৬
নড়াইল প্রতিনিধি :
নড়াইলের নবগঙ্গা নদীর ওপর সেতু: দেড় বছরের কাজ আট বছরেও শেষ হয়নি। নড়াইলের কালিয়া উপজেলার নবগঙ্গা নদীর ওপর আট বছরেও শেষ হয়নি সেতুর কাজ।
নড়াইলের কালিয়া উপজেলার নবগঙ্গা নদীর ওপর সেতুর নির্মাণ ব্যয় ছিল ৬৫ কোটি টাকা। নকশা জটিলতা ও নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নির্মাণ কাজ শেষ না হওয়ায় সেতুটির ব্যয় বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩৬ কোটি টাকা। দেড় বছরে মধ্যে কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও ৮ বছরেও শেষ করতে পারেনি কর্তৃপক্ষ। ফলে ঝুঁকি নিয়ে নৌকায় করে নদী পারাপার হচ্ছে এলাকাবাসী। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, সড়ক বিভাগ সূত্র জানায়, ৬৫১ দশমিক ৮৩ মিটার দীর্ঘ ও ১০ দশমিক ২৫ মিটার প্রস্থের বারইপাড়া পিসি গার্ডার সেতুটি নির্মাণে প্রাথমিক চুক্তি মূল্য ছিল ৬৫ কোটি টাকা। বারবার মেয়াদ বৃদ্ধি ও নকশা পরিবর্তনের কারণে বর্তমান নির্মাণ ব্যয় দাড়িয়েছে ১৩৫ কোটি ৯২ লাখ ৩৫ হাজার টাকা।
সড়ক পথে নড়াইল সদরের সঙ্গে কালিয়া উপজেলাসহ অন্তত তিনটি জেলার যোগাযোগ সহজ করতে ২০১৮ সালে এই সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু হয়। সবশেষ চলতি বছরের জুন পর্যন্ত নতুন মেয়াদ নির্ধারণ করা হয়েছে। বর্তমানে নদীর দুই তীরের সংযোগ সড়কসহ ১১টি পায়ার ও ১১টি স্প্যান বসানোর কাজ শেষ হয়েছে। তবে, মাঝ নদীর তিনটি পিলার ও তিনটি স্টিল স্প্যান বসানোর কাজ এখনো বাকি রয়েছে।
কালিয়া গ্রামের মিলন শেখ বলেন, “উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা না থাকায় এই অঞ্চলে কোনো শিল্প-কারখানা গড়ে ওঠেনি। কৃষকরা তাদের উৎপাদিত পণ্য শহরে নিতে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। এলাকায় কোনো সংঘর্ষের ঘটনা ঘটলে পুলিশ সময় মতো আসতে পারে না; আগুন লাগলে ফায়ার সার্ভিস কিংবা জরুরি রোগী পরিবহনে অ্যাম্বুলেন্স দ্রুত পৌঁছাতে পারে না। খেয়াঘাটে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয় সাধারণ লোকজকে।”
মাউলি গ্রামের ডা. অসীম কুমার অধিকারী বলেন, “বারইপাড়া সেতুটি নিয়ে আমাদের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন ছিল। কাজ শুরুর ৮ বছর পার হলেও তা পূর্ণাঙ্গ রূপ পায়নি। সেতুটি চালু হলে কালিয়াবাসী নড়াইল সদরের সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রে উপকৃত হতো।
২০১৮ সালে প্রথম ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘মেসার্স জামিল ইকবাল অ্যান্ড মঈনুদ্দিন বাঁশি কনস্ট্রাকশন কোম্পানি’ ৬৫ কোটি টাকায় কাজটি শুরু করে।
বাল্কহেডের ধাক্কায় ৯ নম্বর পিলারটি দুইবার নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার পর মূল অংশের চারটি পায়ার ও তিনটি স্প্যান অসম্পূর্ণ রেখেই ৬১ কোটি টাকা তুলে নিয়ে কাজ শেষ করে তারা। পরবর্তীতে দ্বিতীয় মেয়াদে ‘কংক্রিট অ্যান্ড স্টিল টেকনোলজিস্ট লিমিটেড’ বাকি অংশের কাজ পায়।
বর্তমান ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা আব্দুল ওয়াদুদ খান লিটন বলেন, “বিদেশ থেকে আমদানিকৃত ৮৬ দশমিক ৭৩ মিটার স্টিল আর্চ স্প্যানসহ আরো দুটি স্প্যান বসানোর কাজ শুরু হয়েছে। কিছু জটিলতার কারণে স্টিল স্প্যান বিদেশ থেকে আনতে দেরি হয়েছে। চলতি মাসের মধ্যে দুটি স্প্যান বসানো শেষ হবে।”
নড়াইল সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম বলেন, “নকশার ত্রুটি সংশোধন করে নতুন কাজ শুরু হয়েছে। আশা করছি, এ বছরের জুনের মধ্যেই কাজ শেষ করে সেতুটি জনগণের ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত করা সম্ভব হবে।
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : সিরাজগঞ্জ ব্যুরো চীফ : সিরাজগঞ্জ জেলার কামারখন্দ উপজেলার হালুয়া কান্দি মফিজ উদ্দিন তালুকদার স্ম...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : সিরাজগঞ্জ ব্যুরো চীফঃ বিগত সতেরো বছরে ফ্যাসিষ্ট আওয়ামী লীগ সরকারের সকল রক্ত চক্ষুকে উপেক্ষা করে ...বিস্তারিত
মাহাদী বিন সুলতান, রাঙ্গামাটি: : সারাদেশের ন্যায় 'নৌযান শুমারি-২০২৬' সফলভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে রাঙামাটিতে অংশীজনদের নিয়...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি : জুলাই ২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থানে আত্মোৎসর্গকারী শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভ...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি : ৫ আগস্ট ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ উপলক্ষে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সরকারি ...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি : জুলাই ২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থানে আত্মোৎসর্গকারী শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভ...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Bangla | Developed By Muktodhara Technology Limited